পবিত্র কুরআন » বাংলা » সূরা আল-হাক্কাহ

বাংলা

সূরা আল-হাক্কাহ - Verses Number 52
ن ۚ وَالْقَلَمِ وَمَا يَسْطُرُونَ ( 1 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 1
নূন। শপথ কলমের এবং সেই বিষয়ের যা তারা লিপিবদ্ধ করে,
مَا أَنتَ بِنِعْمَةِ رَبِّكَ بِمَجْنُونٍ ( 2 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 2
আপনার পালনকর্তার অনুগ্রহে আপনি উম্মাদ নন।
وَإِنَّ لَكَ لَأَجْرًا غَيْرَ مَمْنُونٍ ( 3 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 3
আপনার জন্যে অবশ্যই রয়েছে অশেষ পুরস্কার।
وَإِنَّكَ لَعَلَىٰ خُلُقٍ عَظِيمٍ ( 4 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 4
আপনি অবশ্যই মহান চরিত্রের অধিকারী।
فَسَتُبْصِرُ وَيُبْصِرُونَ ( 5 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 5
সত্ত্বরই আপনি দেখে নিবেন এবং তারাও দেখে নিবে।
بِأَييِّكُمُ الْمَفْتُونُ ( 6 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 6
কে তোমাদের মধ্যে বিকারগ্রস্ত।
إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ ( 7 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 7
আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত।
فَلَا تُطِعِ الْمُكَذِّبِينَ ( 8 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 8
অতএব, আপনি মিথ্যারোপকারীদের আনুগত্য করবেন না।
وَدُّوا لَوْ تُدْهِنُ فَيُدْهِنُونَ ( 9 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 9
তারা চায় যদি আপনি নমনীয় হন, তবে তারাও নমনীয় হবে।
وَلَا تُطِعْ كُلَّ حَلَّافٍ مَّهِينٍ ( 10 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 10
যে অধিক শপথ করে, যে লাঞ্ছিত, আপনি তার আনুগত্য করবেন না।
هَمَّازٍ مَّشَّاءٍ بِنَمِيمٍ ( 11 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 11
যে পশ্চাতে নিন্দা করে একের কথা অপরের নিকট লাগিয়ে ফিরে।
مَّنَّاعٍ لِّلْخَيْرِ مُعْتَدٍ أَثِيمٍ ( 12 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 12
যে ভাল কাজে বাধা দেয়, সে সীমালংঘন করে, সে পাপিষ্ঠ,
عُتُلٍّ بَعْدَ ذَٰلِكَ زَنِيمٍ ( 13 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 13
কঠোর স্বভাব, তদুপরি কুখ্যাত;
أَن كَانَ ذَا مَالٍ وَبَنِينَ ( 14 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 14
এ কারণে যে, সে ধন-সম্পদ ও সন্তান সন্ততির অধিকারী।
إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ ( 15 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 15
তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা।
سَنَسِمُهُ عَلَى الْخُرْطُومِ ( 16 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 16
আমি তার নাসিকা দাগিয়ে দিব।
إِنَّا بَلَوْنَاهُمْ كَمَا بَلَوْنَا أَصْحَابَ الْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ ( 17 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 17
আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে,
وَلَا يَسْتَثْنُونَ ( 18 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 18
ইনশাআল্লাহ না বলে।
فَطَافَ عَلَيْهَا طَائِفٌ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَائِمُونَ ( 19 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 19
অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল।
فَأَصْبَحَتْ كَالصَّرِيمِ ( 20 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 20
ফলে সকাল পর্যন্ত হয়ে গেল ছিন্নবিচ্ছিন্ন তৃণসম।
فَتَنَادَوْا مُصْبِحِينَ ( 21 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 21
সকালে তারা একে অপরকে ডেকে বলল,
أَنِ اغْدُوا عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَارِمِينَ ( 22 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 22
তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।
فَانطَلَقُوا وَهُمْ يَتَخَافَتُونَ ( 23 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 23
অতঃপর তারা চলল ফিসফিস করে কথা বলতে বলতে,
أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا الْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌ ( 24 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 24
অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে।
وَغَدَوْا عَلَىٰ حَرْدٍ قَادِرِينَ ( 25 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 25
তারা সকালে লাফিয়ে লাফিয়ে সজোরে রওয়ানা হল।
فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوا إِنَّا لَضَالُّونَ ( 26 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 26
অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি।
بَلْ نَحْنُ مَحْرُومُونَ ( 27 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 27
বরং আমরা তো কপালপোড়া,
قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ ( 28 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 28
তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা আল্লাহ তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?
قَالُوا سُبْحَانَ رَبِّنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ ( 29 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 29
তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।
فَأَقْبَلَ بَعْضُهُمْ عَلَىٰ بَعْضٍ يَتَلَاوَمُونَ ( 30 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 30
অতঃপর তারা একে অপরকে ভৎর্সনা করতে লাগল।
قَالُوا يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا طَاغِينَ ( 31 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 31
তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।
عَسَىٰ رَبُّنَا أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَا إِنَّا إِلَىٰ رَبِّنَا رَاغِبُونَ ( 32 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 32
সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী।
كَذَٰلِكَ الْعَذَابُ ۖ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَكْبَرُ ۚ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ ( 33 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 33
শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ ( 34 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 34
মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।
أَفَنَجْعَلُ الْمُسْلِمِينَ كَالْمُجْرِمِينَ ( 35 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 35
আমি কি আজ্ঞাবহদেরকে অপরাধীদের ন্যায় গণ্য করব?
مَا لَكُمْ كَيْفَ تَحْكُمُونَ ( 36 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 36
তোমাদের কি হল ? তোমরা কেমন সিদ্ধান্ত দিচ্ছ?
أَمْ لَكُمْ كِتَابٌ فِيهِ تَدْرُسُونَ ( 37 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 37
তোমাদের কি কোন কিতাব আছে, যা তোমরা পাঠ কর।
إِنَّ لَكُمْ فِيهِ لَمَا تَخَيَّرُونَ ( 38 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 38
তাতে তোমরা যা পছন্দ কর, তাই পাও?
أَمْ لَكُمْ أَيْمَانٌ عَلَيْنَا بَالِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ ۙ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ ( 39 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 39
না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?
سَلْهُمْ أَيُّهُم بِذَٰلِكَ زَعِيمٌ ( 40 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 40
আপনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করুন তাদের কে এ বিষয়ে দায়িত্বশীল?
أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ فَلْيَأْتُوا بِشُرَكَائِهِمْ إِن كَانُوا صَادِقِينَ ( 41 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 41
না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ ( 42 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 42
গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।
خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۖ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ سَالِمُونَ ( 43 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 43
তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।
فَذَرْنِي وَمَن يُكَذِّبُ بِهَٰذَا الْحَدِيثِ ۖ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ ( 44 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 44
অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।
وَأُمْلِي لَهُمْ ۚ إِنَّ كَيْدِي مَتِينٌ ( 45 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 45
আমি তাদেরকে সময় দেই। নিশ্চয় আমার কৌশল মজবুত।
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ ( 46 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 46
আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?
أَمْ عِندَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ ( 47 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 47
না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।
فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ الْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ ( 48 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 48
আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল।
لَّوْلَا أَن تَدَارَكَهُ نِعْمَةٌ مِّن رَّبِّهِ لَنُبِذَ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ ( 49 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 49
যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
فَاجْتَبَاهُ رَبُّهُ فَجَعَلَهُ مِنَ الصَّالِحِينَ ( 50 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 50
অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।
وَإِن يَكَادُ الَّذِينَ كَفَرُوا لَيُزْلِقُونَكَ بِأَبْصَارِهِمْ لَمَّا سَمِعُوا الذِّكْرَ وَيَقُولُونَ إِنَّهُ لَمَجْنُونٌ ( 51 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 51
কাফেররা যখন কোরআন শুনে, তখন তারা তাদের দৃষ্টি দ্বারা যেন আপনাকে আছাড় দিয়ে ফেলে দিবে এবং তারা বলেঃ সে তো একজন পাগল।
وَمَا هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ لِّلْعَالَمِينَ ( 52 ) আল-হাক্কাহ - Ayaa 52
অথচ এই কোরআন তো বিশ্বজগতের জন্যে উপদেশ বৈ নয়।

বই

  • রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেনরাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন : তাকওয়া অর্জন সিয়াম সাধনার মুখ্য উদ্দেশ্য। আত্মার পরিশুদ্ধি, পার্থিবতায় সর্বাঙ্গ আরোপন থেকে চেতনা ও মনোজগত বিমুক্তিকরণ, বস্তুকেন্দ্রিকতার রাহুগ্রাস থেকে নিজেকে স্বাধীন করে পরকালমুখীনতা সার্বক্ষণিক চর্চা ও লালন সুগম করে দেয় তাকওয়া অর্জনের পথ-পথান্তর। তবে তার জন্য শর্ত হল, সিয়াম সাধনার প্রতিটি ক্ষণ যাপিত হতে হবে রাসূলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সিয়াম-সাধনার উসওয়া-আদর্শ ( চেতনায়, অনুভূতিতে. আন্তর ও বহির আচরণে) সার্বক্ষণিকভাবে জাগ্রত রেখে। রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন বইটি সিয়াম পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাহি ওয়াসাল্লামের পূর্ণাঙ্গ উসওয়া আদর্শকে তুলে ধরেছে তথ্যবহুল আলোচনায়, বইটি সিয়াম পালনকারীর জন্য নতুন এক দ্বিগন্ত উন্মুক্ত করবে বলে আমাদের বিশ্বাস।

    সংকলন : ফায়সাল বিন আলী আল-বাদানী

    সম্পাদক : নুমান বিন আবুল বাশার - মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

    অনুবাদক : কাউসার বিন খালিদ

    প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

    Source : http://www.islamhouse.com/p/54934

    Download :রাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেনরাসূল যেভাবে রমজান যাপন করেছেন

  • অন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ : অহংকারঅন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ : অহংকার, লেখক এ গ্রন্থে অহংকার ও অহংকারের মত মারাত্মক রোগের অপকারিতা সম্পর্কে কুরআন ও সুন্নাহ থেকে আলোকপাত করেছেন। সাথে সাথে অহংকার থেকে বাঁচার পথনির্দেশ করেছেন।

    সংকলন : মুহাম্মাদ সালেহ আল মুনাজ্জিদ

    সম্পাদক : মোহাম্মদ মানজুরে ইলাহী

    অনুবাদক : জাকের উল্লাহ আবুল খায়ের

    প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

    Source : http://www.islamhouse.com/p/370143

    Download :অন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ : অহংকারঅন্তর বিধ্বংসী বিষয়সমূহ : অহংকার

  • হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নান্দনিক আচরণহজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নান্দনিক আচরণ :হজ বিষয়ে একটি অসাধারণ গ্রন্থ। হজের গতানুগতিক বর্ণনা নয় বরং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নান্দনিক আচরণের বহু অজানা দিক দৃষ্টির আওতায় এসেছে প্রখ্যাত লেখক ফায়সাল আল বাদানীর এই অনবদ্য রচনার মাধ্যমে। বাংলা ভাষায় রচনাটি ভাষান্তরিত করতে পেরে আমরা সত্যিই আনন্দিত।

    সংকলন : ফায়সাল বিন আলী আল-বাদানী

    অনুবাদক : মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক

    প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ

    Source : http://www.islamhouse.com/p/53654

    Download :হজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নান্দনিক আচরণহজ পালন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নান্দনিক আচরণ

  • তিন মূলনীতিতুমি আল্লাহকে জেনেছ ? তার দ্বীনকে ? রেসালাত নিয়ে যিনি প্রেরীত হয়েছেন তোমাদের নিকট, চেন তাকে ? পরজগতের দীর্ঘ সফরের সূচনায় ব্যক্তি সর্বপ্রথম যে বাস্তবতার মুখোমুখী হবে, তা এই তিনটি প্রশ্ন ও তার উত্তর। প্রশ্নগুলো কেন্দ্র করেই গড়ে উঠেছে ইসলামের তিন মূলনীতি

    সংকলন : মুহাম্মাদ ইব্ন আব্দুল ওয়াহহাব

    অনুবাদক : মুহাম্মাদ ইব্রাহীম আব্দুল হালীম

    প্রকাশনায় : ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় মদিনা মুনাওয়ারার ওয়েবসাইট - ইসলামী গ্রন্থাগার : http://www.islamicbook.ws

    Source : http://www.islamhouse.com/p/281

    Download :তিন মূলনীতিতিন মূলনীতি

  • আল-কুরআনুল কারীমের শেষ তিন পারার তাফসীর সাথে আছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আহকাম ও মাসায়েলএটি একটি সংক্ষিপ্ত গ্রন্থ। এতে একজন মুসলিম দৈনন্দিন জীবনে কোরআন,তাফসীর, ফেকহী বিধি-বিধান,আকীদা ও ফাযায়েল সংক্রান্ত যে সকল বিষয়াদির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে সংক্ষিপ্ত আকারে হলেও সুনিপুনভাবে তার বিবরণ দেয়া হয়েছে। কিতাবটি দু'ভাগে বিভক্ত। প্রথম ভাগে স্থান পেয়েছে কোরআনুল কারীমের শেষ তিন পারার তাফসীর, যা শায়খ মুহাম্মাদ আল আশকার প্রণীত যুবতাতুত তাফসীর গ্রন্থ হতে নেয়া হয়েছে। আর দ্বিতীয় ভাগে একজন মুসলিমের জন্যে অতি গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যেমন: -আহকামুত তাজবীদ তথা বিশুদ্ধরূপে কোরআন তেলাওয়াত করার ব্যাকরণ। -আকীদা বিষয়ক ৬২টি প্রশ্ন ও তার জবাব -তাওহীদ বিষয়ক একটি বিনম্র পর্যালোচনা -আহকামুল ইসলাম তথা ইসলামী বিধি-বিধান{শাহাদাতাইন, তাহারাত,সালাত, যাকাত, হজ্জ} -বিবিধ বিষয়াবলী -ঝাড়-ফুঁক - দোআ - আযকার - ১০০ ফযীলত ও ৭০ নিষিদ্ধ কাজ - ওযু ও সালাতের স্বচিত্র বিবরণ - চিরন্তন যাত্রা

    সংকলন : একদল বিজ্ঞ আলেম

    প্রকাশনায় : http://www.tafseer.info

    Source : http://www.islamhouse.com/p/172432

    Download :আল-কুরআনুল কারীমের শেষ তিন পারার তাফসীর সাথে আছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আহকাম ও মাসায়েলআল-কুরআনুল কারীমের শেষ তিন পারার তাফসীর সাথে আছে গুরুত্বপূর্ণ কিছু আহকাম ও মাসায়েল

ভাষা

Choose সূরা

বই

Choose tafseer

Participate